Posts

Showing posts with the label অনুচ্ছেদ

অনুচ্ছেদ: বনভোজন | Class 5,6 |

বনভোজন অনুচ্ছেদ বনভোজন নাগরিক জীবনের একটি মৌসুমী উৎসব। শীতের শুরু থেকে বসনের শেষ পর্যন্ত চলে বনভােজনের মহােৎসব। এদেশে বনভােজন এখন বেশ জনপ্রিয়। বনভােজনে কতিপয় ব্যক্তি নির্দিষ্ট দিনে পূর্বনির্ধারিত স্থানে একযােগে মিলিত হয়ে নানা ধরনের আমােদ-প্রমােদ ও একসাথে আহার করে থাকে। বনভোজন মানে বনে ভােজন অর্থাৎ সবাই একত্রিত হয়ে বনে বসে ভােজন করা। তবে এখন কেউই বনে বসে ভােজন করে না। সাধারণত সে স্থানটি শহরের কোলাহল থেকে দূরে, গাছপালা ঘেরা সুন্দর পরিবেশ সম্বলিত কোনাে স্থানকে নির্ধারণ করা হয়। অতঃপর বাস, মাইক্রোবাস, লঞ্চ ইত্যাদি যােগে সবাই একস্থান থেকে নির্দিষ্ট গন্তব্যের দিকে যাত্রা শুরু করে। বনভােজনের যাত্রাপথে কেউ মাইকে গান গেয়ে, কেউ কৌতুক করে, কেউ গল্প করে নামা আনন্দ-উৎসবে পৌছে যায় গন্তব্যে। অতঃপর সেখানে কিছু সময় ঘােরাফেরা, দুপুরে সবাই একসাথে খাওয়া দাওয়া করে সন্ধ্যার পূর্বেই আবার বাড়ি ফেরে। নাগরিক জীবনের অবসাদ দূর করে অন্তত কিছু সময়ের জন্য হলেও বনভােজন মনে-প্রাণে সজীবতা ফিরিয়ে আনে। বনভোজন অনুচ্ছেদ টি সম্পর্কে কোনো মতামত থাকলে জানাতে পারেন নিচের কমেন্ট সেকশনে।

অনুচ্ছেদ: সকাল বেলা |

সকাল বেলা অনুচ্ছেদ সূর্যালােকিত সময়টুকু আমরা সাধারণত তিনটি অংশে ভাগ করে - সকাল, দুপুর এবং বিকাল। সকাল বেলাতে প্রকৃতির সবকিছুই সজীব ও সতেজ থাকে। অন্ধকার কুঁড়ে যখন সূর্য ওঠে, তার সেই কাচা কাচা রোদ সকাল বেলাকে সােনালি রূপ ধারণ করায়। সকালের সেই সােনালি রােদ দেখে মনে হয় আলাের ভেলা সমস্ত নীল আকাশ জুড়ে ভেসে বেড়াচ্ছে। সােনারােদ মাখা সকালের এ বােদে মাথার ওপরের নীল আকাশ আলােতে আলােময় হয়ে ওঠে। এর ফাকে ফাকে আলাের চিক চিক করা খেলা আমাদের চোখে ঝিলিক দেয়। সেই আলাের দিকে একমনে চেয়ে থাকলে মনে হয়, রােদেলা সে আলাে ফিক ফিক করে হাসছে। চালে চালে ঝকঝকে টিনগুলাে সকালের এ কাঁচা রােদে ঝিক ঝিক করে খেলা করছে। এ এক অদ্ভুত সুন্দর খেলা। যা সকাল বেলার সৌন্দর্যকে বাড়িয়ে দেয় আরও কয়েক গুণ। কৃষক মাঠে কাজ করতে রওনা হয়, কর্মজীবী মানুষজন ছুটে চলে তার পেশার তাগিদে। চারপাশের পশুপাখিগুলাে বের হয় খাবার সংগ্রহের তাগিদে। দিনের এ উৎসবে, জীবনের এ উৎসবে অংশগ্রহণ করে গাছ-লতাপাতাসহ জীব-জড় সবাই। শু-শ্যামল বাতাস সকাল বেলায় সবাইকে জীবন উৎসবে যােগ দেবার জন্যে যেন আহ্বান জানায়। সে আহ্বানে মাত্রা যােগ করে সকালে ফুটে ...

অনুচ্ছেদ: শীতের পিঠা | শীতের পিঠা উৎসব |

শীতের পিঠা অনুচ্ছেদ হেমন্তের ফসল ভরা মাঠ যখন শূন্য ও রিক্ত হয়ে পড়ে তখনই বুঝা যায়, ঘন কুয়াশার চাদর মুড়ি দিয়ে আসছে শীত। উত্তরের হিমেল হাওয়া হাড়ে কাঁপন লাগিয়ে সে আসে তার নিজস্ব রূপ নিয়ে। বাংলার ঘরে ঘরে তখন চলে নবান্ন উৎসব। আবহমানকাল থেকে বাংলাদেশের ঘরে ঘরে পিঠাপুলি খাওয়ার মাধ্যমে শীতের আনন্দকে আরাে উপভােগ্য করে তোলে। শীতে গ্রামে এবং শহরে সর্বত্র খেজুরের রস এবং বিভিন্ন পিঠাপুলি খাওয়ার ধুম পড়ে যায়। গাঁয়ের প্রতিটি ঘরে ঘরে লেগে যায় পিঠা তৈরির ধুম। গায়ের মেয়েরা নিজেদের কুশলতার পরিচয় দেয় পিঠা তৈরির মাধ্যমে। তাছাড়া রস পিঠা, তেলের পিঠা, পাটিসাপটা, ভাপাপুলিসহ আরও নানারকম শীতের পিঠায় ভরে ওঠে। শুধু গ্রামেই নয় শহরের বিভিন্ন রাস্তার মােড়েও ভাপা পিঠা বানিয়ে বিক্রি করা হয়। ঢাকার বকুলতলায় বসে শীতের পিঠা উৎসব। এ উৎসবে বিভিন্ন ধরনের মুখরােচক পিঠা তৈরি করা হয়। শীতের সকালে নরম রােদে বসে ভাপা পিঠা খাওয়ার আনন্দ বােধ হয় সবারই জানা। তাইতাে কবি সুফিয়া কামাল পিঠা খাওয়ার আনন্দে মুগ্ন হয়ে বলেছেন-‘পৌষ পার্বণে পিঠা খেতে বসে খুশিতে বিষম খেয়েআরও উল্লাস বাড়িয়াছে মনে মায়ের বকুনি খে...

অনুচ্ছেদ: আমার দৈনন্দিন জীবন | প্রাত্যহিক জীবন |

আমার দৈনন্দিন জীবন অনুচ্ছেদ আমি খুব ভােরে শয্যাত্যাগ করে প্রাত্যহিক কার্যাদি সমাধা করে ফজরের নামায আদায় করি। নামায শেষে আধা ঘণ্টার জন্য প্রাতঃভ্রমণে বের হই। প্রাতঃভ্রমণ শেষে আমি বিদ্যালয়ের পাঠ তৈরি করতে বসি। এক ঘণ্টা পড়াশােনা করে আমি সকালের নাশতা খাই । অতঃপর আমি প্রদত্ত বাড়ির কাজ সম্পন্ন করি। বাড়ির কাজ শেষ করে আমি গােসল করি । গােসল শেষে খেয়ে স্কুল ড্রেস পরে স্কুলে রওনা হই। একটার সময় বিরতি হলে আমি হালকা নাস্তা খেয়ে বিদ্যালয়ের মসজিদে জামাতে জোহরের নামায আদায় করি। বিকেল চারটায় বিদ্যালয় ছুটি হলে আমি সরাসরি বাড়ি ফিরি। বইপুস্তক গুছিয়ে রেখে বৈকালিক নাশতা খেয়ে বন্ধুদের সাথে মাঠে খেলতে যাই। সন্ধ্যায় বাসায় ফিরে মাগরিবের নামাযআদায় করে পড়তে বসি এবং একটানা দুই ঘণ্টা পড়াশােনা করি। অতঃপর এশার নামায আদায় করে পুনরায় পড়তে বসি এবং একটানা দেড় ঘণ্টা পড়াশুনা করি। অতঃপর রাতের খাবার খেয়ে কতক্ষণ টিভি অনুষ্ঠান দেখি। এভাবে আমিআমার দৈনন্দিন কাজগুলাে শেষ করি। আরো দেখুন: আমার দৈনন্দিন জীবন রচনা (7 words)

অনুচ্ছেদ: ছবি আঁকা | আমার প্রিয় শখ ছবি আঁকা |

আমার প্রিয় শখ ছবি আঁকা অনুচ্ছেদ কিছু রেখা বা কিছু দাগ অথবা কিছু চিহ্নের সাহায্যে কোনাে কিছু চিত্রিত করার নাম ছবি আঁকা। ছবি আঁকা শব্দটি ইংরেজি Drawing শব্দের প্রতিশব্দ যার অর্থ আঁকা, টানা, চিত্রাঙ্কন করা ইত্যাদি। যিনি ছবি আঁকেন বা অঙ্কন করেন তাঁকে শিল্পী বলা হয়। ছবি অংকনের মাধ্যমে একজন শিল্পীর মানস চেতনা, মনের রূপ, রস, বর্ণ, গন্ধ ও স্পর্শের চেতনা প্রতিফলিত হয়। একজন শিল্পীর ছবি আঁকার জন্য প্রয়ােজন হয় ক্লীপ বাের্ড, খসখসে কাগজ, পেনসিল, রাবার, পেনসিল কাটার, রঙিন পেনসিল, জলরঙ, তুলি, পানি রাখার পাত্র, প্যাস্টেল ইত্যাদি। ছবি আঁকার মাধ্যমে একজন মানুষের মধ্যে অনেকগুণের বিকাশ ঘটে। ছবি আঁকা মানব জীবনকে সুন্দর ও সমৃদ্ধভাবে গড়ে তুলতে সাহায্য করে। যেমন—মানবতা বােধের চর্চা, সৌন্দর্যবােধ, রুচিবােধ, সুনাগরিক, উন্নত জ্ঞানচর্চা, সুন্দর-অসুন্দরের বিচার করা ইত্যাদি। শিশু-কিশােরদের মেধা বিকাশে ছবি আঁকা বা ছবি অঙ্কন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই ছােটবেলা থেকেই শিশুকে ছবি আঁকায় আগ্রহী করে গড়ে তােলার জন্য আমাদেরকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। ছবি আঁকার গুরুত্ব বিবেচনা করে উন্নত বিশে। লেখাপড়ার পাশাপ...

অনুচ্ছেদ: জাতীয় পাখি (দোয়েল)

জাতীয় পাখি দোয়েল অনুচ্ছেদ বাংলাদেশে বহু জাতের ও বহু স্বভাবের পাখির মধ্যে দোয়েলকে জাতীয় পাখি নির্বাচন করা হয়েছে। এর চেহারার সঙ্গে যেমনি, এর স্বভাবের সঙ্গেও তেমনি বাংলার প্রকৃতির যেন চমৎকার মিল খুঁজে পাওয়া যায়। ছােট্ট আকৃতির এ পাখিটির শরীর প্রায় ছয় ইঞি লম্বা, হালকা-পাতলা শরীর, পা দুটি এত চিক্কণ যেন খিলের মতাে। গায়ের রং সাদা এবং কালােতে মেশানাে। পিঠের পালকগুলাে মিশকালাে, পেটটি ধবধবে সাদা। লেজের আকৃতি শরীরের তুলনায় কিছুটা বড়, তবে ঝুলানাে নয়, চামচের মতাে। দোয়েল আমাদের বাড়ির আশপাশে বাস করে বলে একে প্রতিবেশী পাখিও বলা হয়। এর কণ্ঠে চমৎকার শিস আসে, লমবা সুরে ঢেউ-তুলে শিস দেয় বলে একে গানের পাখিও বলে। মৃদু স্বভাবের এই পাখিটি প্রকৃতির নিরুত্তাপ আবহাওয়ায় চলাফেরা করে। তাই আধফোটা ভাের ও সন্ধ্যার আধাে আলাে আধাে অন্ধকারে একে দেখা যায়। এই সুন্দর ছােট্ট পাখিটি সবার কাছে বড় আদরের, মর্যাদাটাও অনেক বড়। এটি আমাদের জাতীয় পাখি। এটি এক অনাবিল শান্তির প্রতীক। নীল আকাশের নিচে এটি যখন উড়ে বেড়ায় তখন সত্যি সুন্দর লাগে এ পৃথিবী।

অনুচ্ছেদ: কম্পিউটার | অনুচ্ছেদ রচনা |

কম্পিউটার অনুচ্ছেদ Class 5 কম্পিউটারের আবিষ্কার আধুনিক প্রযুক্তির একটি বড় অগ্রগতি। এটি একটি অতি সাম্প্রতিক আবিষ্কার। কম্পিউটার মানুষের মস্তিষ্কের বিকল্প। কম্পিউটার সকল শাখার অত্যন্ত জটিল কাজ করতে সক্ষম। কয়েক মিনিটের মধ্যে একটি কম্পিউটার এমন হিসাব-নিকাশ করতে পারে, যা একজন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত গণিতজ্ঞের কয়েক বছর সময় প্রয়ােজন হবে। দ্রুততম কম্পিউটারগুলাে লক্ষ লক্ষ সমস্যা কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে সমাধান করতে পারে। কোনাে দ্বিধা ছাড়াই এটি একই সময়ে অনেকগুলাে কার্যক্রম চালাতে পারে। আজকাল কম্পিউটার অত্যন্ত জটিল হয়ে গিয়েছে এবং একে বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। এটি ইতােমধ্যেই শিল্পকারখানা, অফিস-আদালত, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ব্যবহৃত হচ্ছে। এটি ব্যবসা চালাতে পারে, দাবা খেলতে পারে, এমনকি সংগীত সৃষ্টি করতে পারে এবং মুহূর্তের মধ্যে বিশ্বের কোনাে অত্যাধুনিক তথ্য সরবরাহ করতে পারে। এটি আমাদের মারাত্মক উপকার সাধন করেছে। এটি আমাদের জীবনে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে। আরো পড়ুনঃ কম্পিউটার রচনা Class : 4&5 কম্পিউটার রচনা (৯০০ শব্দ) | JSC, SSC | মোবাইল ফোন রচনা কম্পিউটার ...

ফেসবুক অনুচ্ছেদ | বাংলা অনুচ্ছেদ রচনা |

ফেসবুক অনুচ্ছেদ রচনা – ১ বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় সামাজিক যােগাযােগের ওয়েবসাইটের নাম ফেসবুক বা www.facebook.com। ফেসবুকের মাধ্যমে মানুষ সহজেই পরিচিতজনের সাথে যােগাযােগ স্থাপন করতে পারে । এটি বিশ্ব-সামাজিক আন্তঃযােগাযােগ ব্যবস্থার একটি ওয়েবসাইট, যা ২০০৪ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি প্রতিষ্ঠিত হয়। তবে ২০০৩ সালে মার্ক জুকারবার্গ কর্তৃক নির্মিত ফেসম্যাস নামের সাইটটির উত্তরসূরি হিসেবেই এর জন্ম। এর সদর দপ্তর পাওলাে আলটো, ক্যালিফোর্নিয়ায় অবস্থিত। ফেসবুকের বর্তমান নির্বাহী মার্ক জুকারবার্গ তাঁর আরও তিনজন সহযােগীর মাধ্যমে এই ওয়েবসাইটটি প্রতিষ্ঠা করেন। তারা হলেন এডওয়াডাে সেভারিন, ডাস্টিন মস্কোভিত্স এবং ক্রিস হিউজেস। কোনাে রকম খরচ ছাড়াই এর সদস্য হওয়া যায়। বর্তমানে সারাবিশ্বে এই ওয়েবসাইটটি ব্যবহার করছে ৩০০ মিলিয়ন কার্যকরী সদস্য। ফেসবুকের ব্যবহারকারীরা এর মাধ্যমে ফেসবুকের সাথে সংযুক্ত অন্যান্য পরিচিত মানুষকে বন্ধু হিসেবে সংযােজন করতে পারে নানা রকম বার্তা ও মন্তব্য, বন্ধুদের সম্পর্কে জানতে পারে, বন্ধুদের পছন্দ-অপছন্দ সম্পর্কে বিশদ জানতে পারে এবং ব্যবহারকারী তার ব্যক্তিগত তথ্যাবলি হালন...

অনুচ্ছেদ: একজন রিকশাচালক | অনুচ্ছেদ লিখন |

অনুচ্ছেদ: একজন রিকশাওয়ালা / একজন রিকশাচালক একজন রিকশাচালক অনুচ্ছেদ রিক্সাচালক হলাে একজন গরিব দিনমজুর যে রিক্সা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে। আমাদের দেশে সে একজন পরিচিত ব্যক্তি। সাধারণত সে বস্তি এলাকায় বাস করে। সে ভাড়ার বিনিময়ে এক স্থান থেকে অন্যস্থানে রিক্সাযােগে যাত্রী ও মালামাল পরিবহন করে। খুব কম রিক্সাচালকেরই নিজস্ব রিক্সা আছে। সাধারণত একজন রিক্সাচালক দৈনিক ভিত্তিতে মালিকের নিকট থেকে রিক্সা ভাড়া করে থাকে। সে খুব সকালে রিক্সা নিয়ে রাস্তা-ঘাটে বেরিয়ে আসে এবং গভীর রাত পর্যন্ত কাজ করে। তাকে ভালাে-মন্দ সব আবহাওয়ায় কাজ করতে হয়। মাঝে মাঝে সে ক্লান্ত বােধ করে কিন্তু বিশ্রাম নিতে পারে না। এমনকি সে ভারী বৃষ্টিপাত বা গ্রীষ্মের প্রখর তাপের মধ্যেও বিশ্রাম নিতে পারে না। নিজের ও পরিবারের দৈনন্দিন ভরণ-পােষণের জন্য তাকে রিক্সা চালাতে হয়। তাকে দিন এনে দিন খেতে হয়। সে কঠোর পরিশ্রম করে। কিন্তু তার উপার্জন খুবই কম। সে টাকা সঞ্চয় করতে পারে না। তাই যখন সে অসুস্থ হয়, সে ও তার পরিবারের লােকেরা সমস্যার সম্মুখীন হয়। মাঝেমধ্যে তার আয় সচরাচরের চেয়ে অনেক কমে আসে। তখন পরিবার পরিচালনায় তাকে আ...

অনুচ্ছেদ: একজন জেলে | জেলে অনুচ্ছেদ

একজন জেলে অনুচ্ছেদ রচনা। জেলেদের জীবন কাহিনী অনুচ্ছেদ। মৎসজীবী অনুচ্ছেদ লিখন। একজন জেলে অনুচ্ছেদ (১৪০ শব্দ) মৎস্যজীবী এমন ব্যক্তি যিনি তার জীবিকা নির্বাহের জন্য মাছ ধরেন এবং বাজারে বিক্রি করেন। সাধারণত একটি জেলে হ্রদ, নদী, খাল, সমুদ্র বা জলাভূমি এলাকায় বসবাস করে। তার ঘর খুবই সাধারণ। জেলেদের জীবন খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। তিনি মাঝেমধ্যে গভীর সাগরে নৌকায় মাছ ধরতে যান। সে জাল দিয়ে মাছ ধরে; কখনও কখনও সে খুব ভোরে মাছ ধরতে যায়। কখনও কখনও সে সারা রাত মাছ ধরে এবং যখন সে মাছ ধরতে যায়, তখন তার পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন থাকে। তারা তার নিরাপদ প্রত্যাবর্তনের জন্য প্রার্থনা করে। জেলেদের জীবন খুবই সহজ। মাছ ধরে এবং কাছের বাজারে বিক্রি করে, তিনি তার সামান্য আয় দিয়ে তার পরিবারের ভরণপোষণ পূরণ করেন। যখন একজন জেলে মাছ ধরতে যায় না, তখন সে তার জাল ও নৌকা মেরামত ও মেরামত করতে সময় কাটায়। একজন মৎস্যজীবী মাছ ধরলে খুব খুশি হয়। কিন্তু দুঃখের বিষয় এই যে, অনিশ্চিত জীবনের দুশ্চিন্তায় এবং দুঃখ-কষ্টে মৎস্যজীবীরা তাদের জীবন অতিবাহিত করেন। একজন জেলে অনুচ্ছেদ (১৫০ শব্দ) মৎস্যজীবী এমন ব্যক্তি যিনি মাছ ধরে এ...

অনুচ্ছেদ: একজন ফেরিওয়ালা | অনুচ্ছেদ রচনা

একজন ফেরিওয়ালা / ফেরিওয়ালা অনুচ্ছেদ যে ব্যক্তি রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বিভিন্ন জিনিসপত্র বিক্রি করে, সেই ফেরিওয়ালা। সে একজন স্ব-নিয়ােজিত ব্যক্তি। সে শহর ও নগরে অতীব পরিচিত ব্যক্তি। গ্রামেও তাকে দেখা যায়। সে তার গ্রাহকদের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য বিভিন্ন রঙের অদ্ভুত পােশাক পরিধান করে ও অদ্ভুত শব্দ করে। তার কাজ পরিশ্রমসাধ্য। সে তার মালপত্র মাথায়, হাতে, ব্যাগে বা হস্তচালিত ছােট গাড়িতে বহন করে। সে সাধারণত তার মালামাল সস্তা দামে ক্রয় করে এবং ভালাে লাভে বিক্রি করে। তার পণ্যগুলাে মূলত মহিলা ও শিশুদের নিকট আকর্ষণীয়। সে সচরাচর খেলনা, প্রসাধনী, ফিতা, তৈরি পােশাক, বাসন-পত্র, মিষ্টি, ফল ইত্যাদি বিক্রি করে। সাধারণত গৃহকর্তার অনুপস্থিতিতে সে তার মালামাল বিক্রি করতে আসে। সে তার ক্রেতাদের বােঝাতে বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে। সে দাবি করে যে তার পণ্য গুণাগুণে সবচেয়ে ভালাে। যেহেতু বাচ্চারা তার ভালাে ক্রেতা, সে তাদের সাথে ভালাে যােগাযােগ রক্ষা করে। একজন ফেরিওয়ালা কঠোর পরিশ্রম করলেও সে বেশি উপার্জন করতে পারে না। সাধারণত তার খুব কম পুঁজি থাকে এবং কম উপার্জন করে। অনেক কষ্টে তাকে পরিবারের ভরণ-পােষণ করতে ...

অনুচ্ছেদ: একজন দিনমজুর | অনুচ্ছেদ রচনা

একজন দিনমজুর অনুচ্ছেদ দিনমজুর এমন একজন ব্যক্তি যাকে দৈনিক ভিত্তিতে নিয়ােগ করা এবং মজুরি দেয়া হয়। মাথার ঘাম পায়ে ফেলে সে জীবিকা নির্বাহ করে থাকে। সে স্বাস্থ্যবান, বলবান ও বলিষ্ঠ। সে তার পরিবার নিয়ে বস্তিতে থাকে এবং মানবেতর জীবন যাপন করে। সে সাধারণত কৃষি অথবা নির্মাণ কাজে নিযুক্ত থাকে। সে তার নিয়ােগকারীর নির্দেশমত সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কাজ করে। সে খুব সকালে ঘুম থেকে উঠে এবং কাজের সন্ধানে বের হয়। সন্ধ্যায় সে তার মজুরি পায়। তারপর সে বাজারে গিয়ে প্রয়ােজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয় করে বাড়ি ফিরে। তার রয়েছে আনন্দ-বেদনা। পর্যাপ্ত আয় করতে পারলে সে আনন্দ পায়। সেটি না করতে পারলে তার মন বেদনায় ভরে যায়। একজন দিনমজুরের জীবন সত্যিই কষ্টে ভরপুর। সে প্রায়ই খুব খারাপ কর্ম পরিবেশে কাজ করে। মাঝেমধ্যে তাকে ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করতে হয়। কিন্তু তাকে এই রকম কাজের জন্য যথাযথভাবে পারিশ্রমিক দেওয়া হয় না। মাঝেমধ্যে দিনমজুরকে খুব খারাপ আবহাওয়ায় কাজ করতে হয়। সে কোনাে কাজ না পেলে তার পরিবারকে না খেয়ে রাখতে হয়। সে অসুস্থ হলে সে এবং তার পরিবার চরম ভােগান্তির শিকার হয়। এটা সত্য যে একজন দিনমজুর সমাজ...

অনুচ্ছেদ: একজন কৃষক | অনুচ্ছেদ রচনা

একজন কৃষক / বাংলার কৃষক / বাংলাদেশের কৃষক অনুচ্ছেদ একজন কৃষক / বাংলার কৃষক / বাংলাদেশের কৃষক অনুচ্ছেদ (১৩০ শব্দ) কৃষক এমন একজন ব্যক্তি যিনি কৃষিকাজে নিয়োজিত, খাদ্য বা কাঁচামালের জন্য ফসল উৎপাদন করেন। দুর্ভাগ্যবশত, আমাদের দেশের অধিকাংশ কৃষক দরিদ্র এবং তাদের নিজস্ব কোন জমি নেই। তাই তাদের অন্যের জমিতেই চাষ করতে হয়। তার এবং তার পরিবারের বেঁচে থাকা নির্ভর করে জমির ফসলের উপর এবং অনেকটা প্রকৃতির উপর। বীজ রোপণের ক্ষেত্রে জমি প্রস্তুত করার জন্য তিনি খুব পরিশ্রম করেন। তিনি খুব সকালে উঠে চাষের জমিতে কাজ করতে যান। কৃষকদের কঠোর পরিশ্রমের কারণেই আমরা খাদ্য পাই। তারা আমাদের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আমাদের অর্থনীতি মূলত কৃষির উপর নির্ভরশীল কারণ বাংলাদেশ একটি কৃষিপ্রধান দেশ। বিপুল সংখ্যক মানুষ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষিতে নিয়োজিত। সুতরাং, জাতীয় অর্থনীতির উন্নতির জন্য, কৃষকদের বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে ফসল উৎপাদন করার পদ্ধতি শেখানো উচিত। কৃষকদের জীবনের উন্নতি ঘটাতে সরকারের উচিত সহজ শর্তে ভর্তুকি এবং ঋণ প্রদান করা। বাংলাদেশের কৃষক / একজন কৃষক / বাংলার কৃষক ...

অনুচ্ছেদ: করোনা ভাইরাস | অনুচ্ছেদ রচনা |

করােনা ভাইরাস অনুচ্ছেদ করােনাভাইরাস বর্তমান সময়ের সবচেয়ে আলােচিত বিষয়। প্রকৃতপক্ষে করােনাভাইরাস হচ্ছে ভাইরাসের একটি বড় পরিবার। এসব ভাইরাসের দ্বারা বিভিন্ন রােগের সৃষ্টি হয়। এগুলাের মধ্যে কোভিড-১৯ সবচেয়ে ভয়ঙ্কর। এই রােগটি খুবই সংক্রামক। ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহানে এটি প্রথম শনাক্ত হয়। ধীরে ধীরে এটি বিশ্বের প্রায় সকল দেশে ছড়িয়ে পড়ে। এর ফলে পৃথিবীর প্রায় ৬ কোটি মানুষ সংক্রমিত হইয়েছে এবং এখনো এ্র প্রবাহ বর্তমান এবং ৬৫ লক্ষ মানুষ মৃত্যুবরণ করছে। বাংলাদেশও এ রােগে মারাত্মকভাবে আক্রান্ত। এ রােগের কিছু সাধারণ লক্ষণ হচ্ছে জ্বর, কাশি, মাংসপেশির ব্যথা, ক্লান্তি এবং শ্বাস-প্রশ্বাসে সমস্যা। করােনা ভাইরাস চোখ, মুখ ও নাক দিয়ে সহজেই মানবদেহে প্রবেশ করতে পারে। আক্রান্ত কোনাে ব্যক্তি যখন হাঁচি-কাশি দেয় বা নিঃশ্বাস ফেলে, তখন ভাইরাসটি ছড়ায়। কোনো সুস্থ মানুষ যদি ভাইরাসটির সংস্পর্শে আসে, তাহলে সে সংক্রমিত হয়। প্রতিরােধই এক্ষেত্রে সর্বোত্তম পন্থা। কোনাে মানুষ সংক্রমিত হলে তাকে অবশ্যই আলাদা রাখতে হবে। তাকে সকল ধরনের স্বাস্থ্যগত ও মানসিক সমর্থন দিতে হবে। তাকে নিয়মিত সুষম খাদ্য গ্রহণ...

সামাজিক মূল্যবােধ অনুচ্ছেদ | JSC, SSC |

সামাজিক মূল্যবােধ সম্পর্কে একটি অনুচ্ছেদ লেখ সামাজিক মূল্যবােধ যে কোনাে সমাজের রীতি-নীতি, মনােভাব এবং সমাজের অন্যান্য অনুমােদিত আচার-আচরণের সমন্বয়ই হলাে সামাজিক মূল্যবােধ। সুতরাং আমরা বলতে পারি, সামাজিক মূল্যবােধ হলাে মানুষের এমন এক আনুভূতিক বিশ্বাস, যা পরােক্ষভাবে মানুষের আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে এবং যে আচরণ সমাজ, ব্যক্তি, দল ও গােষ্ঠীর নিকট প্রত্যাশিত। মানুষের বড় সম্পদ হলাে এই মূল্যবোধ, যার শিক্ষা শুরু হয় পরিবার থেকে। জগৎকে বােঝা ও জানাই হলাে শিক্ষা। যে শিক্ষা মানুষের বুদ্ধি দরজা খুলে দেয় না বা হৃদয় প্রসারিত করে না সেটা শিক্ষা নয়। শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য হলাে নৈতিক মূল্যবোেধ জাগ্রত করে মানুষের ব্যক্তিজীবনকে উচ্চ মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করা। নীতি আদর্শ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত জীবনব্যবস্থার অভিব্যক্তিই হলাে। নৈতিক মূল্যবােধ। সমাজে কল্যাণকর কাজ ও মানবিক বােধের চর্চার মধ্য দিয়ে এটি বিকাশ লাভ করে। মূল্যবােধসম্পন্ন। ব্যক্তির আদর্শ সবার জন্য অনুসরণীয় হয়। ফলে সমাজ হয়ে উঠে ক্রমশ কলুষমুক্ত এবং বসবাসের আদর্শ স্থান। কিন্তু পরিতাপের বিষয় হলাে আমাদের বর্তমান সমাজব্যবস্থায় নানা রকম দুর্নীতির অনুপ্...

বই পড়া অনুচ্ছেদ | অনুচ্ছেদ রচনা

প্রশ্নঃ বই পড়া নিয়ে বাংলা অনুচ্ছেদ লিখ । বই পড়া অনুচ্ছেদ (১৭৫ শব্দ) শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনের সহচর হিসেবে বই পূর্বপরিচিত। কালো অক্ষরের সাথে সাথে, শব্দ বিন্যাসে তালে তালে অসীম অভিজ্ঞতা কল্পনা ও আকুতি ফুটে উঠে সাদা জমিনে। প্রতিটি পৃষ্ঠার ভাজে ভাজে থাকে বাক্যের সাথে জ্ঞানের মিল বিন্যাসের অপরূপ চিত্তপ্রদর্শনী। এই বই মানুষকে হাসতে শেখায়, কাঁদতে শেখায়, নতুন করে বাঁচার অণুপ্রেরণা দেয়। শত শত কাগজের মাঝে সীমাহীন জ্ঞানকে মুষ্টিবদ্ধ করে রাখে। এই বই দুরন্ত শিশুকে যেমন আনন্দের খোরাক জোগায় তেমনি মাস বয়সী তরুণ-তরুণীদের আত্মতৃপ্তির সাধ আহরণের সুযোগ দেয়। বিস্তীর্ণ পৃথিবীর দুর্লভ সব কার্যসিদ্ধি লিপিবদ্ধ থাকে বই এর পাতায়-পাতায়। সঙ্গহীন বালকটিও অজান্তে বইকে সঙ্গী করে নেয়। সমস্যা সমাধানের পূর্ব অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে মানুষ জীবনকে উন্নত করে তোলে। প্রতিটি মানুষের কাছে নতুন বইয়ের মানে নতুন কিছু আবিষ্কার। তবে কৃত্তিমতার বিষাক্ত ছোবল জ্ঞানের আধার বইতে ও ছাড়েনি। ধ্বংসাত্মক জ্ঞান সম্বলিত বই মানুষের স্বাভাবিক চিত্তকে বিষিয়ে তোলে। বই যেমন অন্ধকার জীবনকে আলোকিত করে তেমনি আলোকিত জীবনকেও অন্ধকারাচ্ছন্ন ...

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ অনুচ্ছেদ | JSC, PSC |

প্রশ্নঃ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বাংলা অনুচ্ছেদ লিখ । উত্তরঃ স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। এর মধ্য দিয়েই বাঙালির বহু বছরের স্বাধিকার আন্দোলন পূর্ণতা পায়। ত্রিশ লাখ মানুষের রক্তের বিনিময়ে আমরা অর্জন করি স্বাধীন, সার্বভৌম বাংলাদেশ। বাংলাদেশের ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমি তৈরি হয়েছিল সেই ১৯৪৭ সাল থেকেই যখন ভারতবর্ষ ভাগ হয়ে ভারত ও পাকিস্তান নামক দুটি রাষ্ট্র গঠিত হয়েছিল। পাকিস্তানের পূর্ব অংশে ছিল বাংলা ভাষাভাষী মানুষের অবস্থান। শুরু থেকেই এই অংশের মানুষকে পরাধীন করে রাখে পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকগােষ্ঠী। কেড়ে নেওয়া হয় তাদের অধিকারসমূহ। শােষিত ও বঞ্চিত বাঙালি তখন অধিকার আদায়ের সংগ্রামে নামে। ১৯৫২ সালে রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনের মাধ্যমে বাঙালির মাঝে স্বাধিকার চেতনার উন্মেষ ঘটে। একে একে আসে '৬৬ সালের ছয় দফা আন্দোলন এবং '৬৯-এর গণ-অভ্যুত্থান। ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে বিপুল বিজয় লাভের পরও বাঙালির হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করা হয়নি, ফলে ফুসে ওঠে গােটা জাতি। বঙ্গবন্ধু তাঁর ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণে পাকিস্তানিদের বিরুদ্ধে ...

নারীশিক্ষা অনুচ্ছেদ | অনুচ্ছেদ রচনা

প্রশ্নঃ নারীশিক্ষা অনুচ্ছেদ লিখ । উত্তরঃ নারীশিক্ষা অনুচ্ছেদ মানুষের মনুষ্যত্ব বিকাশে জন্য শিক্ষার প্রয়ােজন। মা হচ্ছে একজন সন্তানের প্রথম শিক্ষক।' আমাকে একজন শিক্ষিত মা দাও, আমি তােমাদেরকে একটি শিক্ষিত জাতি দেব ’– নেপােলিয়ানের এই চিরস্মরণীয় কথার প্রতিধ্বনি আজও বিশ্বব্যাপী অনুরণিত হচ্ছে। বিশ্বের লক্ষ লক্ষ নারী বর্তমান সময়েও শিক্ষার সুযােগ থেকে বঞ্চিত। ফলে সন্তানের প্রথম শিক্ষকই থেকে যাচ্ছে শিক্ষার অন্তরালে। সন্তান শিক্ষিত না হলে স্বাভাবিকভাবেই জাতির ভবিষ্যৎ অন্ধকার। কেননা আজকের শিশুই আগামী দিনের কর্ণধার। ফলে একটি দেশের সমাজ, রাষ্ট্র, পরিবারের উন্নয়ন ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় এমনকি ব্যক্তিগত উৎকর্ষের ক্ষেত্রেও নারীশিক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম। নারী জাগরণের অগ্রদূত বেগম রােকেয়া সারাজীবন নারীশিক্ষার জন্য আন্দোলন করে গেছেন। তিনি অনুধাবন করতে পেরেছিলেন, পুরুষের পাশাপাশি নারীকেও হতে হবে শিক্ষিত ও স্বাবলম্বী। বাঙালি পুরুষ কখনােই একাকী উন্নতির শিখরে আরােহণ করতে পারবে না আজ একবিংশ শতাব্দীর এই অগ্রগতির সময়েও আমাদের অধিকাংশ নারী শিক্ষাবঞ্ছিত। ফলে নারীশিক্ষার অগ্রগতির জন্য নানামুখী প...

পরিবেশ দূষণ অনুচ্ছেদ | বাংলা ২য় পত্র অনুচ্ছেদ রচনা

প্রশ্নঃ পরিবেশ দূষণ নিয়ে বাংলা অনুচ্ছেদ লিখ । উত্তরঃ পরিবেশ দূষণ অনুচ্ছেদ ১ সভ্যতার ক্রমবিবর্তনের মধ্য দিয়ে মানুষ প্রকৃতিকে বশ করে গড়ে তুলেছে নিজের পরিবেশ। প্রকৃতির বহু বিচিত্র দান, মানুষের বুদ্ধি আর নিরন্তর শ্রমের ফলে নির্মিত হয়েছে আধুনিক সভ্যতা। অথচ প্রকৃতির দানকে অস্বীকার করে মানুষ আজ নিজ হাতেই হস করে চলেছে তাকে। মানুষের অসাবধানতা ও লােভের কারণে ভয়াবহভাবে দূষিত হচ্ছে পরিবেশ। পরিবেশ দূষণ মূলত দুটি কারণে হয়ে থাকে। একটি হচ্ছে প্রকৃতিগত কারণ, যেমন— ঝড়-বন্যা, জলােচ্ছাস, অগ্ন্যুৎপাত, ভূমিকম্প ইত্যাদি। আর দ্বিতীয়টি হচ্ছে মানবসৃষ্ট যা কৃত্রিম, যেমন— পানিদূষণ, বায়ুদূষণ, শব্দদূষণ, তেজস্ক্রিয় দূষণ প্রভৃতি। শিল্পকারখানার বর্জ্য, যানবাহনের বিষাক্ত ধোয়া ইত্যাদি বায়ুতে মিশে দূষিত করছে পরিবেশকে। বিভিন্ন জীবাশ্ম জ্বালানি পােড়ানাের ফলে বাতাসে বেড়ে যাচ্ছে কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ। পৃথিবীর নদনদী, সমুদ্র, পুকুর, খালবিলের পানি প্রতিদিন দূষিত হচ্ছে মারাত্মকভাবে। কলকারখানার বর্জ্য, ফসলি জমিতে ব্যবহৃত রাসায়নিক ইত্যাদি পানিকে বিষাক্ত করে তুলছে। অপরিকল্পিত নগরায়ণ, যত্রযত্র আবর্জনা...

ধর্মনিরপেক্ষতা অনুচ্ছেদ | বাংলা ২য় পত্র অনুচ্ছেদ রচনা

প্রশ্নঃ ধর্মনিরপেক্ষতা নিয়ে বাংলা অনুচ্ছেদ লিখ । উত্তরঃ “ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ’ হচ্ছে এমন একটি বিষয় যা সমাজের বিশেষ কোনাে ধর্মের প্রতি রাষ্ট্রীয়ভাবে পক্ষপাতিত্ব না করাকে বােঝায়। ধর্মনিরপেক্ষতা একটি মানবতাবাদী ও শান্তিকামী মতাদর্শ। এ শব্দটি ইংরেজি ‘সেকুলার’ শব্দের প্রতিরূপ। সকল ধর্মের সহাবস্থানের মধ্য দিয়ে ইহজাগতিক কল্যাণ সাধন করাই ধর্মনিরপেক্ষতার মূল বিষয়। ধর্মনিরপেক্ষতা মানে ধর্মবিরােধিতা নয় বরং সকল ধর্মসম্প্রদায় ও ধর্মবিশ্বাসের প্রতি সমান শ্রদ্ধাবান হওয়া । রাজা রামমােহন রায়, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, ডিরােজিও, মধুসূদন, অম্লান দত্ত, প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর প্রমুখ ব্যক্তির মাধ্যমে ধর্মনিরপেক্ষ চেতনা মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষ করে ওই সময় ইংরেজি শিক্ষায় শিক্ষিত মানুষরাই ধর্মনিরপেক্ষ চেতনাকে লালন করেছিল। মূলত শাস্ত্র-বাক্যে অন্ধবিশ্বাস, গোঁড়ামি, কুসংস্কার,পশ্চাদপদতা,সামাজিক শােষণ এবং কায়েমি স্বার্থ সংরক্ষণের বিরুদ্ধে এক জোরালাে হাতিয়ার হচ্ছে ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ। ফলে উগ্র ধর্মাবলম্বীরা নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষায় এই চেতনাকে বিলােপ করার চেষ্টা করেছে। তবে ধর্মনিরপেক্ষতা ধা...